প্রশ্নটা হলো, বিক্রয় করা হয়েছে, মূল্য পরিশোধ করা হয়নি, ভ্যাট পরিশোধ করতে হবে কিনা। ক্রয় করা হয়েছে, মূল্য পরিশোধ করা হয়নি, রেয়াত পাওয়া যাবে কিনা, ইত্যাদি। উত্তর হলো, আমাদের দেশের ভ্যাট ব্যবস্থায় মূল্য পরিশোধ কোনো বিবেচনার বিষয় নয়। ভ্যাট চালানপত্র হলো ক্রয়-বিক্রয়ের মূল দলিল। ভ্যাট চালানপত্রের ভিত্তিতে এসব প্রশ্নের সমাধান করতে হবে।
আপনি যদি বিক্রি করেন, তাহলে ভ্যাট চালানপত্র ইস্যু করবেন। সে মাসের দাখিলপত্রে ভ্যাট প্রদেয় করবেন। মূল্য পেয়েছেন কিনা তা বিবেচনার বিষয় নয়। আপনি যদি ক্রয় করেন, তাহলে আপনার ভ্যাট চালানপত্র থাকতে হবে। ভ্যাট চালানপত্রের ভিত্তিতে রেয়াত নিতে হবে। মূল্য পরিশোধ করেছেন কিনা তা বিবেচনার বিষয় নয়।
দুটি ক্ষেত্রে মূল্য পরিশোধের বিষয় প্রসঙ্গিক। এক হলো, ধারা ৪৬(১)(ক) অনুসারে, যদি আপনি ১ লক্ষ টাকার বেশি ক্রয় করেন, তাহলে ব্যাংকিং চ্যানেলে মূল্য পরিশোধ না করলে রেয়াত নিতে পারবেন না। তাই, এমন ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রেয়াত নিয়ে নিতে হবে। পরে যদি ব্যাংকিং চ্যানেলে মূল্য পরিশোধ করা না হয়, তাহলে বিধি ২৯ মোতাবেক বৃদ্ধিকারী সমন্বয় করতে হবে। দুই হলো, বিধি ২৮ অনুসারে, বিক্রয়ের মূল্য ১২ মাসের মধ্যে পাওয়া না গেলে পূর্বে প্রদেয় করা ভ্যাট হ্রাসকারী সমন্বয় করা যায়। যদিও আমাদের ভ্যাট ব্যবস্থায় নানা কারণে এই বিধানের প্রয়োগ নেই।
No comments:
Post a Comment