Vat Question & Answer


Question-

 মূসক-৪.৩ ফরমের নিচে বিশেষ দ্রষ্টব‍্যে ২নং এ উল্লেখ আছে যে,পণ‍্যমূল‍্য,উপকরণ মুূল‍্য/কাঁচামালের মূল‍্য ৭.৫% এর বেশি পরিবর্তন হলে পুনরায় উপকরণ-উৎপাদ সহগ ঘোষণা দাখিল করতে হবে।এখানে পণ‍্যমূল‍্য,উপকরণ মূল‍্য/কাঁচামালের মূল‍্য বলতে কোন ধরণের  মূল‍্যকে বুঝানো হয়েছে?ক্রয় মূল‍্য?,বিক্রয় মূল‍্য?নাকি উভয় প্রকার মূল‍্যকে বুঝানো হয়েছে?

Answer-
এখানে দুটি বিষয় বোঝানো হয়েছে। এক হলো, পণ্যমূল্য। অর্থাৎ পূর্বে ঘোষিত সহগের উপকরণ মূল্য এবং মূল্য সংযোজন একত্রে পণ্যমূল্য। 
দুই হলো, পূর্বে ঘোষিত সহগের শুধু উপকরণ মূল্য। এখানে মূল্য সংযোজন বাদ দিয়ে। 
এ দুভাবেই ৭.৫ শতাংশ হ্রাস-বৃদ্ধি হিসাব করা যায়। তবে, মাঠ পর্যায়ে প্রায় সবক্ষেত্রে উপকরণ মূল্যের ভিত্তিতে হিসাব করা হয়। 
পণ্যমূল্যের ভিত্তিতে হিসাব করা হয়েছে এমন উদাহরণ আজ পর্যন্ত আমার চোখে পড়েনি।

 Question-
একাধিক উপকরণের মধ্যে একটি উপকরণের মূল্য ৭.৫ % বৃদ্ধি পেলে, সেক্ষেত্রে মূসক-৪.৩ দাখিল করতে হবে কি? এক্ষেত্রে মোট উপকরণ মূল্য ৭.৫% বৃদ্ধি পায় নাই।
Answer-
মোট উপকরণ মূল্য ৭.৫% পরিবর্তন হতে হবে। আইনে স্পষ্ট করে বলা আছে।
Question-ধরুন, দাখিলকৃত মূসক ৪.৩ অনুযায়ী একটি পণ্যের উপকরণ মূল্য  ১০০  টাকা এবং মূল্য সংযোজন ২০ টাকা। পণ্যটির মূসক আরোপযোগ্য মূল্য ( ১০০+২০)= ১২০ টাকা। ১৫% হারে পণ্যটির মূসকসহ মূল্য দাঁড়ায় ১৩৮ টাকা। ধরুন পণ্যটির MRP বা সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৭০ টাকা। 

এখন যদি এমন হয়, কিছুদিন পর হঠাৎ পণ্যটির MRP বা সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য পূর্বের তুলনায় ১০% বৃদ্ধি করে ১৮৭ টাকা করা হয়েছে, যেখানে পণ্যটির পূর্বে ঘোষিত উপকরণ মূল্য এবং মূল্য সংযোজন বৃদ্ধি পেলেও তা ৭.৫% এর নিচে রয়েছে। এক্ষেত্রে পুনরায় মূসক ৪.৩ দাখিল করা না হলে বর্ধিত ১০% MRP এর উপর সরকার প্রাপ্য রাজস্ব হতে বঞ্চিত হয় বলে মনে করি।

প্রশ্ন : MRP মূল্য পূর্বের তুলনায় ৭.৫% এর অধিক হারে বৃদ্ধি পেলে এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান মূসক ৪.৩ দাখিল করবে কিনা? অথবা আলোচ্য ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানকে ৪.৩ দাখিলের জন্য পত্র দেয়াটা যৌক্তিক কিংবা আইনানুগ হবে কিনা? অগ্রীম ধন্যবাদ স্যার।
Answer -
ন্যায্য বাজার মূল্য নির্ধারণ করার প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে

Question

একটি প্রতিষ্ঠান আমদানিকৃত ব্যাবহার অনুপযোগী উপকরণ ধ্বংস করার পরে প্রতিষ্ঠানের গৃহীত রেয়াত দাখিলপত্রে বৃদ্ধিকারী সমন্বয় করার বিধান থাকলেও সমন্বয়কৃত আগাম করের বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা নেই।
সেক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান কতৃক সমন্বয়কৃত আগাম কর কিভাবে নিষ্পত্তি হবে?
এই ক্ষেত্রে কি প্রতিষ্ঠানটি আগাম কর ফেরত নিতে পারবে?

Answer 
এক্ষেত্রে আগাম করের বিষয় বিবেচনা করতে হবে না। আমদানি করার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আগাম কর সমন্বয় করা হয়েছে। আগাম করের বিষয় নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। আগাম করের মূল দর্শন হলো, আগাম কর কোনো কর নয়। আগাম কর হলো নিরাপত্তা জামানত। ভ্যাট আইনের ধারা ২(২৪) এ “কর” এর সংজ্ঞার মধ্যে আগাম কর অন্তর্ভুক্ত নেই। অর্থাৎ আগাম কর কোনো কর নয়। 

উপকরণ কর রেয়াত গ্রহণ আর আগাম কর সমন্বয় করা এক বিষয় নয়। উপকরণ কর রেয়াত গ্রহণ অনেকগুলো বিষয়ের ওপর নির্ভর করে যা আইনের ধারা ২(১৮ক) এবং ধারা ৪৬ এ উল্লেখ রয়েছে। সেসব শর্ত ভঙ্গ করলে রেয়াত বাতিল হয়। আগাম করের ক্ষেত্রে এরূপ কোনো শর্ত নেই। আগাম করের মূল দর্শন হলো, পরবর্তী পরিপালন করতে হবে, আগাম কর সমন্বয় করতে হবে এবং সমন্বয়ের পর ব্যালান্স নেগেটিভ হলে ফেরত নিতে হবে। পরবর্তী পরিপালন বলতে মূলত রিটার্ন দাখিল করা, রিটার্ন দাখিল করা হলে অন্যান্য পরিপালনও করা হয়ে যায়। আগাম কর সাধারণত কোনো শর্তাধীনে বাতিল হয় না। 

তাই, বর্জ্য, উপজাত নিষ্পত্তি করার সময় উপকরণ কর রেয়াত বাতিল করা হলে আগাম কর বাতিল করতে হবে না। আশা করি বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। এরপরও যদি কোনো অস্পষ্টতা থাকে দয়া করে জানাবেন। 



No comments:

Post a Comment

মূল্য পরিশোধ করা হয়নি, ভ্যাট পরিশোধ করতে হবে কিনা। ক্রয় করা হয়েছে, মূল্য পরিশোধ করা হয়নি, রেয়াত পাওয়া যাবে কিনা, ইত্যাদি

 প্রশ্নটা হলো, বিক্রয় করা হয়েছে, মূল্য পরিশোধ করা হয়নি, ভ্যাট পরিশোধ করতে হবে কিনা।  ক্রয় করা হয়েছে, মূল্য পরিশোধ করা হয়নি, রেয়াত পাওয়া যাবে...